একটা দুঃখজনক ঘটনার মধ্য দিয়ে ডায়েরী জীবন শুরু করছি। মন্দের ভালো বলা যায়। ঘটনাটি ঘটার কারনেই ডায়েরী লেখার চিন্তা মাথায় এলো।
কয়েকমাস আগে একটা পুরোনো স্মার্টফোন কিনেছিলাম। সেই সাথে একটা ফোন লাইনও নিয়েছিলাম। কিন্তু সেটটি সম্ভবত বিক্রেতা নিজেই ব্যবহার করছিল এবং সেটটি সে কিনেছিলো কিস্তিতে। কিস্তির সামান্য পরিমান পরিশোধ করেই সে সেটটি আমার কাছে বিক্রি করে দেয় এবং আমার একাউন্টে বকেয়ার পরিমান জমতে থাকে। আমি এর কিছু্ই জানিনা। কিছুদিন আগে আমার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। আজ সংযোগ নিতে গিয়ে এই ঘটনা জানতে পারলাম। বকেয়ার ব্যপারে একটা সমাধান না করা পর্যন্ত নতুন লাইন নেয়া যাবে না। সেই সমাধান যদি হয় সম্পূর্ণ বকেয়া পরিশোধ, তাহলে আমার খবর আছে! প্রায় ৪,৬০০০০ ওউন পরিশোধ করতে হবে যা কিছুদিন আগেও আমার একমাসের বেতনের কাছাকাছি ছিলো। কোরিয়াতে এসে প্রথমবারের মত বড় ধরনের প্রতারণার শিকার হলাম (সম্ভবত)।
প্রফেসরকে দেশে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলাম। প্রফেসর খুবএকটা রাজি নন। তিনি ইমেইলের মাধ্যমে আমার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহবান জানিয়েছেন। আমি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছি। দেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত এক সেমিস্টার পিছিয়েছি। সেটা এখন প্রফেসরকে গুছিয়ে লিখে ইমেইলের মাধ্যমে জানানোর চেষ্টা করছি।
আগামীকাল ওপেনবুক পরীক্ষা। আজ একটা ক্লোজড বুক পরীক্ষা ছিলো। যাচ্ছেতাই পরীক্ষা দিয়েছি।
কয়েকমাস আগে একটা পুরোনো স্মার্টফোন কিনেছিলাম। সেই সাথে একটা ফোন লাইনও নিয়েছিলাম। কিন্তু সেটটি সম্ভবত বিক্রেতা নিজেই ব্যবহার করছিল এবং সেটটি সে কিনেছিলো কিস্তিতে। কিস্তির সামান্য পরিমান পরিশোধ করেই সে সেটটি আমার কাছে বিক্রি করে দেয় এবং আমার একাউন্টে বকেয়ার পরিমান জমতে থাকে। আমি এর কিছু্ই জানিনা। কিছুদিন আগে আমার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। আজ সংযোগ নিতে গিয়ে এই ঘটনা জানতে পারলাম। বকেয়ার ব্যপারে একটা সমাধান না করা পর্যন্ত নতুন লাইন নেয়া যাবে না। সেই সমাধান যদি হয় সম্পূর্ণ বকেয়া পরিশোধ, তাহলে আমার খবর আছে! প্রায় ৪,৬০০০০ ওউন পরিশোধ করতে হবে যা কিছুদিন আগেও আমার একমাসের বেতনের কাছাকাছি ছিলো। কোরিয়াতে এসে প্রথমবারের মত বড় ধরনের প্রতারণার শিকার হলাম (সম্ভবত)।
প্রফেসরকে দেশে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলাম। প্রফেসর খুবএকটা রাজি নন। তিনি ইমেইলের মাধ্যমে আমার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহবান জানিয়েছেন। আমি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছি। দেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত এক সেমিস্টার পিছিয়েছি। সেটা এখন প্রফেসরকে গুছিয়ে লিখে ইমেইলের মাধ্যমে জানানোর চেষ্টা করছি।
আগামীকাল ওপেনবুক পরীক্ষা। আজ একটা ক্লোজড বুক পরীক্ষা ছিলো। যাচ্ছেতাই পরীক্ষা দিয়েছি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন