গ্রীনহাউস ইফেক্ট
বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১০
গ্রীন হাউস ইফেক্ট: একটি গভীর দৃষ্টিপাত
গ্রীনহাউজ ইফেক্ট সম্বন্ধে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইড এর উপস্থিতি এর জন্য দায়ী সেটাও আমরা সবাই জানি। তবে যে বিষয়গুলো সবাই জানে না সেগুলো অবগত করাই আজকের লেখাটির উদ্দেশ্য।

বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১০
লার্জ হেড্রন কোলাইডার: একবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই বিজ্ঞান জগতে বড় চমক
পৃথিবীর বুকে ক্ষুদ্র বিগব্যাঙ ঘটানোর সফল পরীক্ষা চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ পরীক্ষার ফলে সৌর কেন্দ্রের চাইতেও দশ লক্ষ গুণ বেশি তাপমাত্রা তৈরি হয় । এ পরীক্ষায় বিজ্ঞানীরা আয়নিত সীসা (লেড) কণার বিপরীতমুখী স্রোতের মধ্যে তীব্র গতিতে সংঘর্ষ ঘটান। এর ফলে প্রায় দশ লক্ষ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা সৃষ্টি হয়। তৈরি হয় কোয়ার্ক আর গ্লুয়নের প্লাজমা অবস্থা। এই অবস্থায় তারা পারস্পারিক আকর্ষণ থেকে মুক্ত থাকে। এই প্লাজমা অবস্থাকে পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন তাঁরা সবল বল নিয়ে আরো জানতে পারবেন। কৃত্রিম বিগ ব্যাঙ থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টির ইতিহাস এবং মহাবিশ্ব সৃষ্টির পর এর তাৎক্ষণিক অবস্থা সম্বন্ধে ধারনা লাভ করবেন। এই গবেষণা চালানো হয় লার্জ হেড্রন কোলাইডারে।
হেড্রন বলতে বোঝানো হয় কোয়র্ক দ্বারা গঠিত কণিকা।
হেড্রন বলতে বোঝানো হয় কোয়র্ক দ্বারা গঠিত কণিকা।
সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১০
কাঠকয়লা: মানবজাতির ত্রাণকর্তা হতে যাচ্ছে কি?
“কয়লা ধুলে ময়লা যায় না” বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। স্পষ্টতই কয়লাকে চরম অবজ্ঞা করে ময়লার সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হল এই যে পানির তো কয়লাকে ধোয়ার কোন যোগ্যতা নেইই বরং কয়লা যে পানি দিয়ে ধোয়া হয় সেই পানিটাই পরিস্কার হয়ে যায়!
খুব অদ্ভুত মনে হচ্ছে কি কথাটাকে? ভাবছেন পুরোপুরি উল্টো কথা বলছি? মোটেই না। কাঠকয়লা নিয়ে আজ কিছু কথা বলব।
খুব অদ্ভুত মনে হচ্ছে কি কথাটাকে? ভাবছেন পুরোপুরি উল্টো কথা বলছি? মোটেই না। কাঠকয়লা নিয়ে আজ কিছু কথা বলব।
বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১০
Microphotography- না দেখলে miss করবেন: পর্ব-২
ছবিগুলো দেখুন। আপনার কল্পনাকে হার মানাতেও পারে।
ইলেক্ট্রনিক ডিসপ্লে: আজকাল সব ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতিতেই রঙ্গিন ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়। নিচে কয়েকটি রঙ্গীন ডিসপ্লে অনেক গুন বিবর্ধিত করে দেখানো হলো।
১.মোবাইল ফোন-১:

ইলেক্ট্রনিক ডিসপ্লে: আজকাল সব ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতিতেই রঙ্গিন ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়। নিচে কয়েকটি রঙ্গীন ডিসপ্লে অনেক গুন বিবর্ধিত করে দেখানো হলো।
১.মোবাইল ফোন-১:
মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১০
Microphotography- না দেখলে miss করবেন: পর্ব-১
মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০১০
একি, সবখানে শুধু সেলুলোজ দেখি!
মনে করুন, আপনি আপনার প্রাত্যহিক জীবনের একটি দিন শুরু করতে যাচ্ছেন। আপনি সেলুলোজের তৈরি একটি খাটে ঘুমিয়ে আছেন। বিছানা, বালিশ সবই সেলুলোজের। আপনি ঘুম থেকে উঠলেন। আপনার গায়ে সেলুলোজের পোষাক। আপনি বিছানা ছেড়ে সেলুলোজের মেঝে দিয়ে হেঁটে হাতমুখ ধুয়ে আসলেন। তারপর নাস্তার টেবিলের দিকে এগিয়ে গেলেন যেটা সেলুলোজ নির্মিত। একটা চেয়ার টেনে বসলেন সেটাও সেলুলোজের। তারপর খাবার খেতে গিয়ে দেখলেন খাবারের মধ্যেও সেলুলোজ। খাবার খেয়ে দেয়ালঘড়িতে সময় দেখলেন অফিসে যাওয়ার আর কতটা সময় বাকি আছে এবং হঠাৎ থমকে গেলেন দেয়ালটা সেলুলোজ দিয়ে তৈরি বলে। আপনার অবাক হওয়ার পালা এখনো শেষ হয়নি। আপনি অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হবেন, আলমারি থেকে ভয়ে ভয়ে কাপড় বের করে পরতে গিয়ে বুঝতে পারলেন আলমারি আর কাপড় দুটোই সোলুলোজের। আপনার মুখটা আরেকটু ফ্যাকাশে হয়ে গেল। টিসু বের করে মুখের ঘাম মুছলেন। হালকা কম্পিত বোধ করছেন। কারন টিস্যুতেও সেলুলোজ দেখেছেন। ভাবছেন আর অফিসে যাবেন না। এদিকে ড্রাইভার হর্ণ বাজাচ্ছে। আপনি ভাবলেন একটা এ্যাপ্লিকেশন লিখে ড্রাইভারের হাতে দিয়ে দেবেন। যাথরীতি এ্যাপ্লিকেশন লিখতে গিয়ে সেলুলোজের হাতে পড়লেন কারন কাগজটা যে সেলুলোজ। আপনারা যারা লেখাটি পড়ছেন তাদের নিশ্চয়ই সেই লোভী রাজার গল্পের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে যার স্পর্শে সবকিছু সোনায় পরিণত হয়ে গিয়েছিলো।
সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১০
প্রকৃতিতে শক্তির রূপান্তরঃ পর্ব-২: জীবকূলে শক্তির প্রবাহ
গত পর্বে আমরা দেখিয়েছিলাম কিভাবে শক্তি একরূপ থেকে আরেকরূপে পরিবর্তিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় আজ আমরা দেখব উদ্ভিদ ও প্রানীদেহের শক্তির উৎস ও রূপান্তর প্রক্রিয়া।
আমরা এখন যেমন পৃথিবী দেখছি একটা সময় এমন ছিল না। কয়েক কোটি বছর আগে পৃথিবী অনেক উত্তপ্ত ছিল। সে সময় বায়ুমন্ডলের উপাদানসমূহ ছিল এখনকার তুলনায় ভিন্ন। তখন বাতাসে অক্সিজেন ছিল না, ছিল কার্বন ডাইঅক্সাইড, জলীয়বাষ্প, মিথেন, অ্যামোনিয়া প্রভৃতি গ্যাস। এই অবস্থায় প্রথম জৈবিক অনু অ্যামাইনো এসিডের সৃষ্টি হয় এবং পরে বিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রথম এককোষী জীবের জন্ম হয়। এসময় প্রথম সালোক সংশ্লেষন(photosynthesis) প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বর্ণকণিকা ক্লোরোফিল সৃষ্টি হয় এবং শৈবাল জাতীয় জীবের আবির্ভাব ঘটে। প্রাণীর উদ্ভবের পূর্বে পৃথিবীতে উদ্ভিদের আবির্ভাব ধটেছে।
আমরা এখন যেমন পৃথিবী দেখছি একটা সময় এমন ছিল না। কয়েক কোটি বছর আগে পৃথিবী অনেক উত্তপ্ত ছিল। সে সময় বায়ুমন্ডলের উপাদানসমূহ ছিল এখনকার তুলনায় ভিন্ন। তখন বাতাসে অক্সিজেন ছিল না, ছিল কার্বন ডাইঅক্সাইড, জলীয়বাষ্প, মিথেন, অ্যামোনিয়া প্রভৃতি গ্যাস। এই অবস্থায় প্রথম জৈবিক অনু অ্যামাইনো এসিডের সৃষ্টি হয় এবং পরে বিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রথম এককোষী জীবের জন্ম হয়। এসময় প্রথম সালোক সংশ্লেষন(photosynthesis) প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বর্ণকণিকা ক্লোরোফিল সৃষ্টি হয় এবং শৈবাল জাতীয় জীবের আবির্ভাব ঘটে। প্রাণীর উদ্ভবের পূর্বে পৃথিবীতে উদ্ভিদের আবির্ভাব ধটেছে।
বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০১০
প্রকৃতিতে শক্তির রূপান্তরঃ পর্ব-১: শক্তির নিত্যতা
পর্ব-১: শক্তির নিত্যতা
শক্তির নিত্যতা সম্বন্ধে আমরা অনেকেই কম-বেশী জানি। শক্তির নিত্যতা কথাটার অর্থ হচ্ছে ''শক্তি কখনো সৃ্ষ্টি বা ধ্বংস হয়না, কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়"। তাই যদি হয়, তাহলে আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে শক্তি খরচ করি তা নিশ্চয়ই 'খরচ' হয়ে যায় না, বরং অন্য কোনো রূপে পরিবর্তিত হয়ে যায়। তাছাড়াও আমরা যে শক্তি 'খরচের' জন্য পাই তাও নিশ্চয়ই কোন না কোন রূপান্তরের মাধ্যমেই আসে। প্রকৃতপক্ষে এই জগতে প্রতি নিয়ত শক্তি একরূপ থেকে অন্যরূপে পরিবর্তিত হয়ে চলেছে। কখনো সেই পরিবর্তন আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে- আমরা তার সুফল ভোগ করি আর কখনো শক্তির পাকৃতিক রুপান্তর আমাদের সমূলে ধ্বংস করে দিয়ে যায়। প্রাকৃতিক শক্তির এই পরিবর্তন অনেক সময় চাক্রিক প্রক্রিয়ায় আবর্তিত হয় অর্থাৎ বিভিন্ন রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পুনরায় আগের রূপে ফিরে যায়। এই লেখায় আমি প্রাকৃতিক শক্তির রুপান্তরের এই প্রক্রিয়া, প্রকারভেদ, প্রভাব, প্রতিক্রিয়া বিশদভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করব।
শক্তির নিত্যতা সম্বন্ধে আমরা অনেকেই কম-বেশী জানি। শক্তির নিত্যতা কথাটার অর্থ হচ্ছে ''শক্তি কখনো সৃ্ষ্টি বা ধ্বংস হয়না, কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়"। তাই যদি হয়, তাহলে আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে শক্তি খরচ করি তা নিশ্চয়ই 'খরচ' হয়ে যায় না, বরং অন্য কোনো রূপে পরিবর্তিত হয়ে যায়। তাছাড়াও আমরা যে শক্তি 'খরচের' জন্য পাই তাও নিশ্চয়ই কোন না কোন রূপান্তরের মাধ্যমেই আসে। প্রকৃতপক্ষে এই জগতে প্রতি নিয়ত শক্তি একরূপ থেকে অন্যরূপে পরিবর্তিত হয়ে চলেছে। কখনো সেই পরিবর্তন আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে- আমরা তার সুফল ভোগ করি আর কখনো শক্তির পাকৃতিক রুপান্তর আমাদের সমূলে ধ্বংস করে দিয়ে যায়। প্রাকৃতিক শক্তির এই পরিবর্তন অনেক সময় চাক্রিক প্রক্রিয়ায় আবর্তিত হয় অর্থাৎ বিভিন্ন রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পুনরায় আগের রূপে ফিরে যায়। এই লেখায় আমি প্রাকৃতিক শক্তির রুপান্তরের এই প্রক্রিয়া, প্রকারভেদ, প্রভাব, প্রতিক্রিয়া বিশদভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করব।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)