ইলেক্ট্রনিক ডিসপ্লে: আজকাল সব ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতিতেই রঙ্গিন ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়। নিচে কয়েকটি রঙ্গীন ডিসপ্লে অনেক গুন বিবর্ধিত করে দেখানো হলো। ১.মোবাইল ফোন-১:
১. Microchip: CDROM Drive থেকে খুলে নেয়া।
যে কোন মাইক্রচিপের ভিতরে আসলে অনেক জটিল একটি সার্কিট খুব ক্ষুদ্রাকারে পুরে দেয়া থাকে। যদি মাইক্রোচিপের আবির্ভাব না হতো তাহলে হয়তো এর ভিতরের পুরো সার্কিটটি আলাদাভাবে বিশাল আকারে তৈরি করতে হতো।
মনে করুন, আপনি আপনার প্রাত্যহিক জীবনের একটি দিন শুরু করতে যাচ্ছেন। আপনি সেলুলোজের তৈরি একটি খাটে ঘুমিয়ে আছেন। বিছানা, বালিশ সবই সেলুলোজের। আপনি ঘুম থেকে উঠলেন। আপনার গায়ে সেলুলোজের পোষাক। আপনি বিছানা ছেড়ে সেলুলোজের মেঝে দিয়ে হেঁটে হাতমুখ ধুয়ে আসলেন। তারপর নাস্তার টেবিলের দিকে এগিয়ে গেলেন যেটা সেলুলোজ নির্মিত। একটা চেয়ার টেনে বসলেন সেটাও সেলুলোজের। তারপর খাবার খেতে গিয়ে দেখলেন খাবারের মধ্যেও সেলুলোজ। খাবার খেয়ে দেয়ালঘড়িতে সময় দেখলেন অফিসে যাওয়ার আর কতটা সময় বাকি আছে এবং হঠাৎ থমকে গেলেন দেয়ালটা সেলুলোজ দিয়ে তৈরি বলে। আপনার অবাক হওয়ার পালা এখনো শেষ হয়নি। আপনি অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হবেন, আলমারি থেকে ভয়ে ভয়ে কাপড় বের করে পরতে গিয়ে বুঝতে পারলেন আলমারি আর কাপড় দুটোই সোলুলোজের। আপনার মুখটা আরেকটু ফ্যাকাশে হয়ে গেল। টিসু বের করে মুখের ঘাম মুছলেন। হালকা কম্পিত বোধ করছেন। কারন টিস্যুতেও সেলুলোজ দেখেছেন। ভাবছেন আর অফিসে যাবেন না। এদিকে ড্রাইভার হর্ণ বাজাচ্ছে। আপনি ভাবলেন একটা এ্যাপ্লিকেশন লিখে ড্রাইভারের হাতে দিয়ে দেবেন। যাথরীতি এ্যাপ্লিকেশন লিখতে গিয়ে সেলুলোজের হাতে পড়লেন কারন কাগজটা যে সেলুলোজ। আপনারা যারা লেখাটি পড়ছেন তাদের নিশ্চয়ই সেই লোভী রাজার গল্পের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে যার স্পর্শে সবকিছু সোনায় পরিণত হয়ে গিয়েছিলো।