সকাল বেলায় প্রফেসরের মেইল পেলাম। আমার লেখা রিভিউ পেপারের রিভিউ ফলাফল এসেছে। কিছু গ্রামাটিক্যাল করেকশন, একটা figure আর একটা table যুক্ত করতে হবে। এমন কঠিন কোনো কাজ নয়। আশা করা যায় খুব সহজেই হয়ে যাবে। তবে আরেকটা পেপারের acceptance এর জন্য অপেক্ষা করছি। সেটা হয়ে গেলে সেটার রেফারেন্স include করে দেওয়া হবে। একটা গনিত বই ডাউনলোড করেছি। নাম: What is math? সারাদিন সেটা পড়ার চেষ্টা করলাম। কিন্তু ৫০ পৃষ্ঠার বেশী এগুতে পারি নি। সন্ধায় খাওয়া-দাওয়ার পর আর ল্যাবে আসি নি। একটু মুভি দেখে শুয়ে পড়লাম। মুভির নাম Goodfellas. যতটা নাম-ডাক শুনেছিলাম ততটা ভালো লাগে নি। একই রকম কাহিনীর মুভি আগেও দেখেছি।
Imteaz Bengalensis
বেঙ্গলেনসিসের যাবতীয় লেখালেখি নিয়ে ব্লগ
বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৩
রবিবার, ৫ মে, ২০১৩
শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১২
২০১২-১২-১৩: বৃষ্টি
আগের দিন আবহাওয়া রিপোর্টে মেঘ দেখে ভেবেছিলাম তুষারপাত হবে। কিন্তু বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বুঝলাম তাপমাত্রা একটু বেড়েছে। এই বৃষ্টিতে আগে জমে থাকা বরফ গলে গিয়েছে। আজ দুপুরে রুই মাছ ভাজি করে ভাত খেয়েছি। রাতে সিলসং থেকে কেনা দেশী মুরগী রান্না করেছি। আগামীকাল নিজাম ভাইয়ের বিবাহ বার্ষিকী। রাত বারোটায় নিজাম ভাইয়ের বাসায় ভাই ও ভাবী কেক কেটেছেন। সেখানে কেক ও খিচুড়ী খাওয়া হয়ছে। দিনে কিছু ল্যাবওয়ার্ক করতে হয়ছে। আগামী কাল একটা ওপেনবুক পরীক্ষা আছে। ওপেনবুক বলে সেটা নিয়ে এখন পর্যন্ত মাথা ঘামাইনি। তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে খুব ভোরেই ল্যাবে যাওয়ার প্ল্যান আছে।
বুধবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১২
2012-12-12: চমৎকার একটি তারিখ
আজকের দিনটা খুব সুন্দর। অন্তত তারিখটা। গত কয়েকদিন লিখিনি। ভেবেছিলাম এক সাথে কয়েক দিনেরটা লিখে ফেলব। কিন্তু ভাবতে ভাবতে অনেক সময় পেরিয়ে গেছে। এখন আর আগের দিনের ব্যাপার-স্যাপার কিছু মনে নেই তাই গ্যাপ দিয়ে লিখতে হল।
আজকের তারিখটা খুব সুন্দর। ১২-১২-১২। দেশে নাকি বিয়ে করার ধুম পড়েছ। আমাদের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আজ বিয়ে করছে। সাকিব ছাড়া পরিচিত আর কারো বিয়ের খবর অবশ্য শুনিনি সেই বিয়েতে আমি উপস্থিত থাকতে পারি নি।
পরিকল্পনা নিয়েছি এখন থেকে একটু বিস্তারিত লিখতে চেষ্টা করব। বিয়ের তারিখ নিয়ে একটু বিস্তারিত বলা যাক। আমার পরিচিত জনের মধ্যে বিয়ের তারিখ নিয়ে বেশ প্ল্যান-ট্যান দেখেছি। গত বছর ১১-১১-১১ তে আমার বন্ধু রাকিব বিয়ে করেছিল। আমার এক বন্ধু বিয়ের জন্য বেছে নিয়েছিল ২৫ ডিসেম্বর। কারন ছিল প্রতিবছর তাদের বিবাহ বার্ষিকীর দিনে ছুটি থাকবে।
১২-১২-১২ এর ব্যাপারে শোনা গিয়েছিল এই দিন দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। মায়া সভ্যতার ক্যালেন্ডারে এই দিনটির পর আর কোনো তারিখের উল্ল্যেখ ছিলো না। তবে আমার জন্য এই দিনটি ছিলো আর ১০টা সাধারণ দিনের মতোই। research, research আর research.
আজকের তারিখটা খুব সুন্দর। ১২-১২-১২। দেশে নাকি বিয়ে করার ধুম পড়েছ। আমাদের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আজ বিয়ে করছে। সাকিব ছাড়া পরিচিত আর কারো বিয়ের খবর অবশ্য শুনিনি সেই বিয়েতে আমি উপস্থিত থাকতে পারি নি।
পরিকল্পনা নিয়েছি এখন থেকে একটু বিস্তারিত লিখতে চেষ্টা করব। বিয়ের তারিখ নিয়ে একটু বিস্তারিত বলা যাক। আমার পরিচিত জনের মধ্যে বিয়ের তারিখ নিয়ে বেশ প্ল্যান-ট্যান দেখেছি। গত বছর ১১-১১-১১ তে আমার বন্ধু রাকিব বিয়ে করেছিল। আমার এক বন্ধু বিয়ের জন্য বেছে নিয়েছিল ২৫ ডিসেম্বর। কারন ছিল প্রতিবছর তাদের বিবাহ বার্ষিকীর দিনে ছুটি থাকবে।
১২-১২-১২ এর ব্যাপারে শোনা গিয়েছিল এই দিন দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। মায়া সভ্যতার ক্যালেন্ডারে এই দিনটির পর আর কোনো তারিখের উল্ল্যেখ ছিলো না। তবে আমার জন্য এই দিনটি ছিলো আর ১০টা সাধারণ দিনের মতোই। research, research আর research.
শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১২
2012-12-07: বছরের প্রথম তুষারপাত
দেগু শহরে তুষারপাত হয় কয়েক বছর পর পর। সেদিক থেকে আমি খুবই ভাগ্যবান। পর পর দুই শীতেই তুষারপাত পেয়েছি। গতবারে ছোটোখাটো তুষারপাত হয়েছিল। এবারে সেই তুলনায় বেশ ভারী বর্ষন হয়েছে।
তুষারপাত আর বৃষ্টির মেকানিজমের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তাপমাত্রা একটু বেশী হলে বৃষ্টিপাত হয় আর কমে গেলে জলীয় বাষ্প জমে গিয়ে তুষার তৈরি করে। তবে তুষারের কণাগুলো বৃষ্টির ফোটার চেয়ে ছোট এবং হালকা। বেশ ফাঁপা থাকে। একারনে বেশ ধীরে ধীরে পড়ে। বৃষ্টির পানি যেমন গড়িয়ে নেমে যায় তুষার তেমন নামতে পারে না বলে যেখানে পড়ে সেখানেই জমে থাকে। একারনে সবদিক ধবধবে সাদা হয়ে যায়। এবারের তুষারপাতের আরো একটা সুবিধা হল এটা দিনের বেলায় হয়েছে। আমি আর ল্যাবের বড় ভাই নাজমুল ভাইকে নিয়ে তুষারের মধ্যে ছবি তুলেছি, সাথে ভাবী ও ছিলেন। আপনাদের জন্য কয়েকটি ছবি ও একটি ভিডিও।
তুষার এমনিতে ফাঁপা হয় এবং মাড়ালে পা ডুবে যায় আর চ্যাপ্টা বরফের আস্তরণ পড়ে থাকে। এই চ্যাপ্টা বরফ বেশ শক্ত এবং পিচ্ছিল হয়ে থাকে। এই পিচ্ছিল বরফের উপর দিয়েই আইস স্কেটিং করা হয়। রাস্তায় গাড়ি চালানো খুব বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। একারনে বরফের পরিমান বেশী হয়ে গেলে রাস্তার উপর বালু ছিটিয়ে দেয়া হয়।
তুষারপাত আর বৃষ্টির মেকানিজমের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তাপমাত্রা একটু বেশী হলে বৃষ্টিপাত হয় আর কমে গেলে জলীয় বাষ্প জমে গিয়ে তুষার তৈরি করে। তবে তুষারের কণাগুলো বৃষ্টির ফোটার চেয়ে ছোট এবং হালকা। বেশ ফাঁপা থাকে। একারনে বেশ ধীরে ধীরে পড়ে। বৃষ্টির পানি যেমন গড়িয়ে নেমে যায় তুষার তেমন নামতে পারে না বলে যেখানে পড়ে সেখানেই জমে থাকে। একারনে সবদিক ধবধবে সাদা হয়ে যায়। এবারের তুষারপাতের আরো একটা সুবিধা হল এটা দিনের বেলায় হয়েছে। আমি আর ল্যাবের বড় ভাই নাজমুল ভাইকে নিয়ে তুষারের মধ্যে ছবি তুলেছি, সাথে ভাবী ও ছিলেন। আপনাদের জন্য কয়েকটি ছবি ও একটি ভিডিও।
বৃহস্পতিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১২
২০১২-১১-২৮: কোরিয়ান সেমিনার
আজ বিকাল পাঁচটায় কোরিয়ানে সেমিনার প্রেজেন্টেশন দিলাম। স্লাইড বানানোর পর প্রতিটা স্লাইডে কি বলব সেটা কোরিয়ান ল্যাব মেটকে বুঝিয়ে বলার পর সে সেগুলোকে কোরিয়ানে লিখে দেয়। আমি সেখান থেকে বাংলা উচ্চরনে লিখে নিয়ে মুখস্ত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেমিনার দিতে উঠে প্রথম দু'লাইন ছাড়া না দেখে কিছুই বলতে পারি নি।
সেমিনার ব্যাপারটাই একটা pain. প্রত্যেক PhD student কে প্রথম দুই বছরে দুইটা সেমিনার প্রেজেন্ট করতে হয়। সাধারণত ২য় এবং ৪র্থ সেমিস্টারেই প্রেজেন্ট করতে হয়। প্রথমটা ইংলিশে দেয়া যায় কিন্তু পরেরটা কোরিয়ানে দেয়া বাধ্যতামূলক। আমি ২য় সেমিস্টারে প্রেজন্ট করে ভেবেছিলাম দুইটা সেমিস্টার নিশ্চিন্ত থাকব। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমার কোরিয়ান প্রেজেন্টেশন ৩য় সেমিস্টারে পড়ে যায়। এর পেছনে আমার প্রফেসরের হাত থাকতে পারে। এই সেমিস্টারে তিনি সেমিনারের সঞ্চালক ছিলেন। সেকারনে হয়ত আমার প্রেজেন্টেশন এই সেমিস্টারে ফেলেছেন। এতে এক দিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। ঝামেলা শেষ হয়েছে। আপনাদের জন্য আমার প্রেজেন্টেশনের প্রথম দু'লাইন:
"আননিয়ং হাশমিকা। ঝনন ঝংসংহোয়া কিয়োসুনিমই ঝিদোরুল ভাতগোইতনাম ইমতিয়াজ আহমেদ ইমনিদা।"
সেমিনার ব্যাপারটাই একটা pain. প্রত্যেক PhD student কে প্রথম দুই বছরে দুইটা সেমিনার প্রেজেন্ট করতে হয়। সাধারণত ২য় এবং ৪র্থ সেমিস্টারেই প্রেজেন্ট করতে হয়। প্রথমটা ইংলিশে দেয়া যায় কিন্তু পরেরটা কোরিয়ানে দেয়া বাধ্যতামূলক। আমি ২য় সেমিস্টারে প্রেজন্ট করে ভেবেছিলাম দুইটা সেমিস্টার নিশ্চিন্ত থাকব। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমার কোরিয়ান প্রেজেন্টেশন ৩য় সেমিস্টারে পড়ে যায়। এর পেছনে আমার প্রফেসরের হাত থাকতে পারে। এই সেমিস্টারে তিনি সেমিনারের সঞ্চালক ছিলেন। সেকারনে হয়ত আমার প্রেজেন্টেশন এই সেমিস্টারে ফেলেছেন। এতে এক দিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। ঝামেলা শেষ হয়েছে। আপনাদের জন্য আমার প্রেজেন্টেশনের প্রথম দু'লাইন:
"আননিয়ং হাশমিকা। ঝনন ঝংসংহোয়া কিয়োসুনিমই ঝিদোরুল ভাতগোইতনাম ইমতিয়াজ আহমেদ ইমনিদা।"
বুধবার, ২১ নভেম্বর, ২০১২
২০১২-১১-২১: সাধারণ একটা দিন
আগামী ২৮ তারিখে কোরিয়ান ভাষায় একটা সেমিনার দিতে হবে। আজে সেটা মোটামুটি ফাইনালাইজ করলাম। আগামীকাল কোরিয়ান ল্যাব মেম্বারের কাছ থেকে স্পীচটা translate করে নিতে হবে। আগে থেকে প্রিপারেশন না নিয়ে রাখলে সেমিনারের দিন ঝামেলা হয়ে যেতে পারে।
আজ সারাদিন তেমন কোনো কাজই করতে পারি নি। আজ কিছু পেপার স্টাডি করার প্ল্যান ছিল কিন্তু পড়ায় মন বসাতে পারিনি। এর মধ্যে খুলনা টেস্টও শুরু হল আজ। লাঞ্চের পর খেলা দেখা বন্ধ করে দিয়েছিলাম বাংলাদেশ দলের শোচনীয় অবস্থা দেখে। তবে চা বিরতির পর আবার শুরু করলাম। আবুল হাসানের debut century দারুন উপভোগ্য ছিল। আজ সন্ধ্যায়ও মোবাইলের খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম। এখনও টাকা পরিশোধ করা হয় নি। কোরিয়ান ল্যাবমেটকে জানালাম সে কথা। আগামীকাল এই ব্যাপারটা এবং আমার কোরিয়ান সেমিনারের ঝামেলাটা ফিক্স করা হবে বলে সে আশ্বাস দিল।
আজ বিজ্ঞানব্লগের কিছু কাজ করেছি। একটা ইমেইল আইডি খুলেছি বিজ্ঞানব্লগের ডোমেইনে। এখান থেকে লেখক ওসদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। এছাড়া একটা পোস্ট এডিট করে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথমবারের মত বিজ্ঞানব্লগের ব্যাকআপ নেয়া হয়েছে।
আজ সারাদিন তেমন কোনো কাজই করতে পারি নি। আজ কিছু পেপার স্টাডি করার প্ল্যান ছিল কিন্তু পড়ায় মন বসাতে পারিনি। এর মধ্যে খুলনা টেস্টও শুরু হল আজ। লাঞ্চের পর খেলা দেখা বন্ধ করে দিয়েছিলাম বাংলাদেশ দলের শোচনীয় অবস্থা দেখে। তবে চা বিরতির পর আবার শুরু করলাম। আবুল হাসানের debut century দারুন উপভোগ্য ছিল। আজ সন্ধ্যায়ও মোবাইলের খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম। এখনও টাকা পরিশোধ করা হয় নি। কোরিয়ান ল্যাবমেটকে জানালাম সে কথা। আগামীকাল এই ব্যাপারটা এবং আমার কোরিয়ান সেমিনারের ঝামেলাটা ফিক্স করা হবে বলে সে আশ্বাস দিল।
আজ বিজ্ঞানব্লগের কিছু কাজ করেছি। একটা ইমেইল আইডি খুলেছি বিজ্ঞানব্লগের ডোমেইনে। এখান থেকে লেখক ওসদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। এছাড়া একটা পোস্ট এডিট করে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথমবারের মত বিজ্ঞানব্লগের ব্যাকআপ নেয়া হয়েছে।
২০১২-১১-২০: মুড অফ
আজ সকালে প্রফেসরের মেইল পেলাম। তিনি আমার কয়েক সাপ্তাহের কাজ পর্যালোচনা করে দেখেছেন কাজে যথেষ্ট অগ্রগতি নেই, কাজের পরিমানও কম, আমি অলসতা করছি, আগের কাজে দিন দিন কাজের হার কমে যাচ্ছে এইসব লিখলেন। এই ধরনের মেইল প্রথম দিকে যে ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করত এখন আর তেমন করে না। তবুও সারদিন মনের মধ্যে কিছুটা গুমোট ভাব ছিল। আজ সারাদিন ল্যাবে প্রচুর এক্সপেরিমেন্টাল কাজ করতে হল। আজই না করলে সামনের সাপ্তায় রিপোর্ট দেয়া যাবে না। এমন কর্মক্ষম কোনো দিন এখন পর্যন্ত কোরিয়াতে কাটিয়েছি কিনা মনে পড়ে না। সকালের মেইলের একটা প্রভাবও এর মধ্যে থাকতে পারে। এই ধরনের মেইল নাজমুল ভাইও পেয়েছেন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)