শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১২

২০১২-১২-১৩: বৃষ্টি

আগের দিন আবহাওয়া রিপোর্টে মেঘ দেখে ভেবেছিলাম তুষারপাত হবে। কিন্তু বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বুঝলাম তাপমাত্রা একটু বেড়েছে। এই বৃষ্টিতে আগে জমে থাকা বরফ গলে গিয়েছে। আজ দুপুরে রুই মাছ ভাজি করে ভাত খেয়েছি। রাতে সিলসং থেকে কেনা দেশী মুরগী রান্না করেছি। আগামীকাল নিজাম ভাইয়ের বিবাহ বার্ষিকী। রাত বারোটায় নিজাম ভাইয়ের বাসায় ভাই ও ভাবী কেক কেটেছেন। সেখানে কেক ও খিচুড়ী খাওয়া হয়ছে। দিনে কিছু ল্যাবওয়ার্ক করতে হয়ছে। আগামী কাল একটা ওপেনবুক পরীক্ষা আছে। ওপেনবুক বলে সেটা নিয়ে এখন পর্যন্ত মাথা ঘামাইনি। তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে খুব ভোরেই ল্যাবে যাওয়ার প্ল্যান আছে।

বুধবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১২

2012-12-12: চমৎকার একটি তারিখ

আজকের দিনটা খুব সুন্দর। অন্তত তারিখটা। গত কয়েকদিন লিখিনি। ভেবেছিলাম এক সাথে কয়েক দিনেরটা লিখে ফেলব। কিন্তু ভাবতে ভাবতে অনেক সময় পেরিয়ে গেছে। এখন আর আগের দিনের ব্যাপার-স্যাপার কিছু মনে নেই তাই গ্যাপ দিয়ে লিখতে হল।

আজকের তারিখটা খুব সুন্দর। ১২-১২-১২। দেশে নাকি বিয়ে করার ধুম পড়েছ। আমাদের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আজ বিয়ে করছে। সাকিব ছাড়া পরিচিত আর কারো বিয়ের খবর অবশ্য শুনিনি  সেই বিয়েতে আমি উপস্থিত থাকতে পারি নি।

পরিকল্পনা নিয়েছি এখন থেকে একটু বিস্তারিত লিখতে চেষ্টা করব। বিয়ের তারিখ নিয়ে একটু বিস্তারিত বলা যাক। আমার পরিচিত জনের মধ্যে বিয়ের তারিখ নিয়ে বেশ প্ল্যান-ট্যান দেখেছি। গত বছর ১১-১১-১১ তে আমার বন্ধু রাকিব বিয়ে করেছিল। আমার এক বন্ধু বিয়ের জন্য বেছে নিয়েছিল ২৫ ডিসেম্বর। কারন ছিল প্রতিবছর তাদের বিবাহ বার্ষিকীর দিনে ছুটি থাকবে।

১২-১২-১২ এর ব্যাপারে শোনা গিয়েছিল এই দিন দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। মায়া সভ্যতার ক্যালেন্ডারে এই দিনটির পর আর কোনো তারিখের উল্ল্যেখ ছিলো না। তবে আমার জন্য এই দিনটি ছিলো আর ১০টা সাধারণ দিনের মতোই। research, research আর research.

শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১২

2012-12-07: বছরের প্রথম তুষারপাত

দেগু শহরে তুষারপাত হয় কয়েক বছর পর পর। সেদিক থেকে আমি খুবই ভাগ্যবান। পর পর দুই শীতেই তুষারপাত পেয়েছি। গতবারে ছোটোখাটো তুষারপাত হয়েছিল। এবারে সেই তুলনায় বেশ ভারী বর্ষন হয়েছে।

তুষারপাত আর বৃষ্টির মেকানিজমের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তাপমাত্রা একটু বেশী হলে বৃষ্টিপাত হয় আর কমে গেলে জলীয় বাষ্প জমে গিয়ে তুষার তৈরি করে। তবে তুষারের কণাগুলো বৃষ্টির ফোটার চেয়ে ছোট এবং হালকা। বেশ ফাঁপা থাকে। একারনে বেশ ধীরে ধীরে পড়ে। বৃষ্টির পানি যেমন গড়িয়ে নেমে যায় তুষার তেমন নামতে পারে না বলে যেখানে পড়ে সেখানেই জমে থাকে। একারনে সবদিক ধবধবে সাদা হয়ে যায়। এবারের তুষারপাতের আরো একটা সুবিধা হল এটা দিনের বেলায় হয়েছে। আমি আর ল্যাবের বড় ভাই নাজমুল ভাইকে নিয়ে তুষারের মধ্যে ছবি তুলেছি, সাথে ভাবী ও ছিলেন। আপনাদের জন্য কয়েকটি ছবি ও একটি ভিডিও।




তুষার এমনিতে ফাঁপা হয় এবং মাড়ালে পা ডুবে যায় আর চ্যাপ্টা বরফের আস্তরণ পড়ে থাকে। এই চ্যাপ্টা বরফ বেশ শক্ত এবং পিচ্ছিল হয়ে থাকে। এই পিচ্ছিল বরফের উপর দিয়েই আইস স্কেটিং করা হয়। রাস্তায় গাড়ি চালানো খুব বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। একারনে বরফের পরিমান বেশী হয়ে গেলে রাস্তার উপর বালু ছিটিয়ে দেয়া হয়।