দেগু শহরে তুষারপাত হয় কয়েক বছর পর পর। সেদিক থেকে আমি খুবই ভাগ্যবান। পর পর দুই শীতেই তুষারপাত পেয়েছি। গতবারে ছোটোখাটো তুষারপাত হয়েছিল। এবারে সেই তুলনায় বেশ ভারী বর্ষন হয়েছে।
তুষারপাত আর বৃষ্টির মেকানিজমের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তাপমাত্রা একটু বেশী হলে বৃষ্টিপাত হয় আর কমে গেলে জলীয় বাষ্প জমে গিয়ে তুষার তৈরি করে। তবে তুষারের কণাগুলো বৃষ্টির ফোটার চেয়ে ছোট এবং হালকা। বেশ ফাঁপা থাকে। একারনে বেশ ধীরে ধীরে পড়ে। বৃষ্টির পানি যেমন গড়িয়ে নেমে যায় তুষার তেমন নামতে পারে না বলে যেখানে পড়ে সেখানেই জমে থাকে। একারনে সবদিক ধবধবে সাদা হয়ে যায়। এবারের তুষারপাতের আরো একটা সুবিধা হল এটা দিনের বেলায় হয়েছে। আমি আর ল্যাবের বড় ভাই নাজমুল ভাইকে নিয়ে তুষারের মধ্যে ছবি তুলেছি, সাথে ভাবী ও ছিলেন। আপনাদের জন্য কয়েকটি ছবি ও একটি ভিডিও।
তুষার এমনিতে ফাঁপা হয় এবং মাড়ালে পা ডুবে যায় আর চ্যাপ্টা বরফের আস্তরণ পড়ে থাকে। এই চ্যাপ্টা বরফ বেশ শক্ত এবং পিচ্ছিল হয়ে থাকে। এই পিচ্ছিল বরফের উপর দিয়েই আইস স্কেটিং করা হয়। রাস্তায় গাড়ি চালানো খুব বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। একারনে বরফের পরিমান বেশী হয়ে গেলে রাস্তার উপর বালু ছিটিয়ে দেয়া হয়।
তুষারপাত আর বৃষ্টির মেকানিজমের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তাপমাত্রা একটু বেশী হলে বৃষ্টিপাত হয় আর কমে গেলে জলীয় বাষ্প জমে গিয়ে তুষার তৈরি করে। তবে তুষারের কণাগুলো বৃষ্টির ফোটার চেয়ে ছোট এবং হালকা। বেশ ফাঁপা থাকে। একারনে বেশ ধীরে ধীরে পড়ে। বৃষ্টির পানি যেমন গড়িয়ে নেমে যায় তুষার তেমন নামতে পারে না বলে যেখানে পড়ে সেখানেই জমে থাকে। একারনে সবদিক ধবধবে সাদা হয়ে যায়। এবারের তুষারপাতের আরো একটা সুবিধা হল এটা দিনের বেলায় হয়েছে। আমি আর ল্যাবের বড় ভাই নাজমুল ভাইকে নিয়ে তুষারের মধ্যে ছবি তুলেছি, সাথে ভাবী ও ছিলেন। আপনাদের জন্য কয়েকটি ছবি ও একটি ভিডিও।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন