আজ বিকাল পাঁচটায় কোরিয়ানে সেমিনার প্রেজেন্টেশন দিলাম। স্লাইড বানানোর পর প্রতিটা স্লাইডে কি বলব সেটা কোরিয়ান ল্যাব মেটকে বুঝিয়ে বলার পর সে সেগুলোকে কোরিয়ানে লিখে দেয়। আমি সেখান থেকে বাংলা উচ্চরনে লিখে নিয়ে মুখস্ত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেমিনার দিতে উঠে প্রথম দু'লাইন ছাড়া না দেখে কিছুই বলতে পারি নি।
সেমিনার ব্যাপারটাই একটা pain. প্রত্যেক PhD student কে প্রথম দুই বছরে দুইটা সেমিনার প্রেজেন্ট করতে হয়। সাধারণত ২য় এবং ৪র্থ সেমিস্টারেই প্রেজেন্ট করতে হয়। প্রথমটা ইংলিশে দেয়া যায় কিন্তু পরেরটা কোরিয়ানে দেয়া বাধ্যতামূলক। আমি ২য় সেমিস্টারে প্রেজন্ট করে ভেবেছিলাম দুইটা সেমিস্টার নিশ্চিন্ত থাকব। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমার কোরিয়ান প্রেজেন্টেশন ৩য় সেমিস্টারে পড়ে যায়। এর পেছনে আমার প্রফেসরের হাত থাকতে পারে। এই সেমিস্টারে তিনি সেমিনারের সঞ্চালক ছিলেন। সেকারনে হয়ত আমার প্রেজেন্টেশন এই সেমিস্টারে ফেলেছেন। এতে এক দিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। ঝামেলা শেষ হয়েছে। আপনাদের জন্য আমার প্রেজেন্টেশনের প্রথম দু'লাইন:
"আননিয়ং হাশমিকা। ঝনন ঝংসংহোয়া কিয়োসুনিমই ঝিদোরুল ভাতগোইতনাম ইমতিয়াজ আহমেদ ইমনিদা।"
সেমিনার ব্যাপারটাই একটা pain. প্রত্যেক PhD student কে প্রথম দুই বছরে দুইটা সেমিনার প্রেজেন্ট করতে হয়। সাধারণত ২য় এবং ৪র্থ সেমিস্টারেই প্রেজেন্ট করতে হয়। প্রথমটা ইংলিশে দেয়া যায় কিন্তু পরেরটা কোরিয়ানে দেয়া বাধ্যতামূলক। আমি ২য় সেমিস্টারে প্রেজন্ট করে ভেবেছিলাম দুইটা সেমিস্টার নিশ্চিন্ত থাকব। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমার কোরিয়ান প্রেজেন্টেশন ৩য় সেমিস্টারে পড়ে যায়। এর পেছনে আমার প্রফেসরের হাত থাকতে পারে। এই সেমিস্টারে তিনি সেমিনারের সঞ্চালক ছিলেন। সেকারনে হয়ত আমার প্রেজেন্টেশন এই সেমিস্টারে ফেলেছেন। এতে এক দিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। ঝামেলা শেষ হয়েছে। আপনাদের জন্য আমার প্রেজেন্টেশনের প্রথম দু'লাইন:
"আননিয়ং হাশমিকা। ঝনন ঝংসংহোয়া কিয়োসুনিমই ঝিদোরুল ভাতগোইতনাম ইমতিয়াজ আহমেদ ইমনিদা।"