রবিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১১
এন্টিম্যাটারের খোঁজে
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১১
২০১০: বিজ্ঞানের বছর-
২০১০: বিজ্ঞানের বছর
২০১০। এ বছরটিকে অনায়াসে বিজ্ঞানের অগ্রগতির বছর বলা যেতে পারে। কারন ২০১০ এর পুরো বছরটাই ছিলো বিজ্ঞানের জগতে ঘটনাবহুল। এ বছর ইতিহাসে স্থান করে নেওয়ার মত বেশ কিছু আবিষ্কার যেমন হয়েছে তেমনি নতুন নতুন প্রশ্ন ও চ্যালেন্জের মুখোমুখিও দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আমাদেরকে। আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরাও এ বছর প্রচুর অবদান রেখেছেন। বিগত বছরের এমনই কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও তাক লাগানো আবিষ্কার ও ঘটনা নিয়ে আজকের আয়োজন।
১. কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কার: কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কারের ঘটনাটি একাই হুলস্থূল ফেলে দেবার জন্য যথেষ্ট। মে মাসে বিজ্ঞানী ক্রেইগ ভেন্টর ও তার সহকর্মীরা প্রথমবারের মত নিজে নিজে বংশবৃদ্ধির করতে পারে এমন ক্ষমতা সম্পন্ন কোষ তৈরি করে সাড়া ফেলে দেন। তাঁরা ল্যাবরেটরীতে কৃত্রিমভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যক্টেরিয়া ডি.এন.এ তৈরি করে সেটি অন্য একটি ব্যক্টেরিয়ার কোষ দেহে প্রবেশ করিয়ে দেন এবং লক্ষ্য করেন ব্যক্টেরিয়াটি সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তাঁদের উদ্ভাবিত ডি.এন.এ টি এক প্রজন্ম থেকে বংশ বৃদ্ধির মাধ্যমে অন্য প্রজন্মে গমন করছে।
মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১১
এটা কিভাবে সম্ভব?
মানুষের সবচেয়ে বড় মৌলিক অধিকার কি? আপনারা হয়তো বলবেন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদি ইত্যাদি.... ক্লাস ফোর ফাইভে এসব মুখস্থ করে এসেছিলেন। যদি এসব মৌলিক অধিকার মনে করেন তাহলে ধরে নিতে হবে সবাই একেকজন জমিদার পুত্র। একজন অতিসাধারন মানুষ হিসেবে এতটা বিলাসিতা দেখানো আমাদের শোভা পায় না। মানুষ হিসেবে টিকে থাকাটাই আপনার মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে কিনা সেটা একবার ভেবে দেখেন।
আমাদের ভাতৃত্ববোধের কোন তুলনা নেই। আমরা বোধহয় যীশুখৃষ্টের নীতিতে বিশ্বাসী - তোমার একগালে কেউ চড় মারলে আরেক গাল পেতে দাও। অবশ্য আমাদের উদারতার কাছে যীশুখৃষ্টসহ পৃথিবীর সব মহাপুরুষের মহা উদারতা ম্লান হয়ে যায়। আমাদের এক সন্তানের উপর কেউ টার্গেট প্র্যাকটিস করলে আরেক সন্তানকে সামনে তুলে ধরে বলি 'আইস ভ্রাতা। আমার আরেকটি সন্তান অবশিষ্ট আছে। ইহার উপরে তোমার নিশানা দেখাও তো দেখি। আমরা তো পশু-পাখির চেয়ে উন্নত কোন জীবন যাপন করি না।'
আমাদের ভাতৃত্ববোধের কোন তুলনা নেই। আমরা বোধহয় যীশুখৃষ্টের নীতিতে বিশ্বাসী - তোমার একগালে কেউ চড় মারলে আরেক গাল পেতে দাও। অবশ্য আমাদের উদারতার কাছে যীশুখৃষ্টসহ পৃথিবীর সব মহাপুরুষের মহা উদারতা ম্লান হয়ে যায়। আমাদের এক সন্তানের উপর কেউ টার্গেট প্র্যাকটিস করলে আরেক সন্তানকে সামনে তুলে ধরে বলি 'আইস ভ্রাতা। আমার আরেকটি সন্তান অবশিষ্ট আছে। ইহার উপরে তোমার নিশানা দেখাও তো দেখি। আমরা তো পশু-পাখির চেয়ে উন্নত কোন জীবন যাপন করি না।'
শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১১
আসুন বন বর্ষের সাথে একাত্মতা জানাই
২০১১ সালকে জাতিসংঘকর্তৃক আন্তর্জাতিক বন বর্ষ ঘোষনা করা হয়েছে। সারা পৃথিবীতে বনভূমির পরিমান দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে। বনভূমি সংরক্ষনের গুরুত্ব অনুধাবনে সবাইকে সচেতন করার উদ্দেশ্যেই এবছরটিকে বন বর্ষ হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে।
পৃথিবীর মোট স্থলভূমির শতকরা ৩১ ভাগ বনভূমি রয়েছে। এই বনভূমি প্রায় ৩০ কোটি মানুষের এবং ৮০% প্রাণবৈচিত্র্যের আবাসস্থল। বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য অঙ্গ হলো বন। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১৬০ কোটি মানুষের জীবিকা প্রত্যক্ষ বা পরেক্ষভাবে বনভূমির উপর নির্ভর করে। বনভূমি ধ্বংস হয়ে গেলে প্রাণবৈচিত্র্য থাকবে না। আর প্রাণবৈচিত্র না থাকলে মানুষও টিকে থাকবে না। কাজেই যে কোন মূল্যে বনভূমিকে রক্ষা করতে হবে।

পৃথিবীর মোট স্থলভূমির শতকরা ৩১ ভাগ বনভূমি রয়েছে। এই বনভূমি প্রায় ৩০ কোটি মানুষের এবং ৮০% প্রাণবৈচিত্র্যের আবাসস্থল। বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য অঙ্গ হলো বন। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১৬০ কোটি মানুষের জীবিকা প্রত্যক্ষ বা পরেক্ষভাবে বনভূমির উপর নির্ভর করে। বনভূমি ধ্বংস হয়ে গেলে প্রাণবৈচিত্র্য থাকবে না। আর প্রাণবৈচিত্র না থাকলে মানুষও টিকে থাকবে না। কাজেই যে কোন মূল্যে বনভূমিকে রক্ষা করতে হবে।
মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১১
ত্রিমাত্রিক ছবি: এক ছবির ভিতরে গভীর ভাবে দেখলে অন্য ছবি
নিচের ছবিগুলো লক্ষ করুন। ম্যাজিক আই পদ্ধতিতে আঁকা ছবিগুলোর দিকে তাকালে এমনিতে কিছু বোঝা যায় না। তবে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে চোখ সামনে বা পেছনের দিকে নিলে এর ভিতরে সম্পুর্ণ ভিন্ন রকমের অন্য একটি ছবি ভেসে আসবে। ভেসে আসবে বলতে সত্যিই ভেসে আসবে। মনে হবে মনিটর থেকে কোন একটা অবয়ব সামনের দিকে উঠে আসছে এবং সেটা হবে ত্রিমাত্রিক। অর্থাৎ সেটা সত্যিই সামনে আছে বলে মনে হবে (যেন হাত বাড়িয়ে ধরে ফেলা যাবে)। এমনই দশটি ছবি নিয়ে এই পোস্টে হাজির হয়েছি।
না দেখতে পেলে হতাশ হবেন না। চেষ্টা করে যান। ছবি দেখার ক্ষেত্রে ব্যক্তিভেদে পার্থক্য থাকবে। কেউ কেউ চোখ রাখা মাত্রই দেখতে পাবেন আর কারো কারো অনেক সময় লাগতে পারে (আমার নিজের ক্ষেত্রে প্রথমবার দেখতে দুই দিন লেগেছিলো। এখন তাকালেই দেখতে পাই)। তবে একবার একটি ছবি দেখতে পেলে পরবর্তিতে দেখা অনেক সহজ হয়ে যাবে। পোস্ট থেকে সরাসরি দেখবেন না, ছবিতে mouse pointer রেখে right button এ ক্লিক করে আলাদা ভাবে দেখুন। প্রয়োজনে জুম করে নিন।
তাহলে শুরু করা যাক:
১. উড়ন্ত পাখি

না দেখতে পেলে হতাশ হবেন না। চেষ্টা করে যান। ছবি দেখার ক্ষেত্রে ব্যক্তিভেদে পার্থক্য থাকবে। কেউ কেউ চোখ রাখা মাত্রই দেখতে পাবেন আর কারো কারো অনেক সময় লাগতে পারে (আমার নিজের ক্ষেত্রে প্রথমবার দেখতে দুই দিন লেগেছিলো। এখন তাকালেই দেখতে পাই)। তবে একবার একটি ছবি দেখতে পেলে পরবর্তিতে দেখা অনেক সহজ হয়ে যাবে। পোস্ট থেকে সরাসরি দেখবেন না, ছবিতে mouse pointer রেখে right button এ ক্লিক করে আলাদা ভাবে দেখুন। প্রয়োজনে জুম করে নিন।
তাহলে শুরু করা যাক:
১. উড়ন্ত পাখি
বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১০
গ্রীন হাউস ইফেক্ট: একটি গভীর দৃষ্টিপাত
গ্রীনহাউজ ইফেক্ট সম্বন্ধে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইড এর উপস্থিতি এর জন্য দায়ী সেটাও আমরা সবাই জানি। তবে যে বিষয়গুলো সবাই জানে না সেগুলো অবগত করাই আজকের লেখাটির উদ্দেশ্য।

গ্রীনহাউস ইফেক্ট
বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১০
লার্জ হেড্রন কোলাইডার: একবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই বিজ্ঞান জগতে বড় চমক
পৃথিবীর বুকে ক্ষুদ্র বিগব্যাঙ ঘটানোর সফল পরীক্ষা চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ পরীক্ষার ফলে সৌর কেন্দ্রের চাইতেও দশ লক্ষ গুণ বেশি তাপমাত্রা তৈরি হয় । এ পরীক্ষায় বিজ্ঞানীরা আয়নিত সীসা (লেড) কণার বিপরীতমুখী স্রোতের মধ্যে তীব্র গতিতে সংঘর্ষ ঘটান। এর ফলে প্রায় দশ লক্ষ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা সৃষ্টি হয়। তৈরি হয় কোয়ার্ক আর গ্লুয়নের প্লাজমা অবস্থা। এই অবস্থায় তারা পারস্পারিক আকর্ষণ থেকে মুক্ত থাকে। এই প্লাজমা অবস্থাকে পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন তাঁরা সবল বল নিয়ে আরো জানতে পারবেন। কৃত্রিম বিগ ব্যাঙ থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টির ইতিহাস এবং মহাবিশ্ব সৃষ্টির পর এর তাৎক্ষণিক অবস্থা সম্বন্ধে ধারনা লাভ করবেন। এই গবেষণা চালানো হয় লার্জ হেড্রন কোলাইডারে।
হেড্রন বলতে বোঝানো হয় কোয়র্ক দ্বারা গঠিত কণিকা।
হেড্রন বলতে বোঝানো হয় কোয়র্ক দ্বারা গঠিত কণিকা।
সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১০
কাঠকয়লা: মানবজাতির ত্রাণকর্তা হতে যাচ্ছে কি?
“কয়লা ধুলে ময়লা যায় না” বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। স্পষ্টতই কয়লাকে চরম অবজ্ঞা করে ময়লার সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হল এই যে পানির তো কয়লাকে ধোয়ার কোন যোগ্যতা নেইই বরং কয়লা যে পানি দিয়ে ধোয়া হয় সেই পানিটাই পরিস্কার হয়ে যায়!
খুব অদ্ভুত মনে হচ্ছে কি কথাটাকে? ভাবছেন পুরোপুরি উল্টো কথা বলছি? মোটেই না। কাঠকয়লা নিয়ে আজ কিছু কথা বলব।
খুব অদ্ভুত মনে হচ্ছে কি কথাটাকে? ভাবছেন পুরোপুরি উল্টো কথা বলছি? মোটেই না। কাঠকয়লা নিয়ে আজ কিছু কথা বলব।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)