শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১১

আসুন বন বর্ষের সাথে একাত্মতা জানাই

২০১১ সালকে জাতিসংঘকর্তৃক আন্তর্জাতিক বন বর্ষ ঘোষনা করা হয়েছে। সারা পৃথিবীতে বনভূমির পরিমান দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে। বনভূমি সংরক্ষনের গুরুত্ব অনুধাবনে সবাইকে সচেতন করার উদ্দেশ্যেই এবছরটিকে বন বর্ষ হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে।

পৃথিবীর মোট স্থলভূমির শতকরা ৩১ ভাগ বনভূমি রয়েছে। এই বনভূমি প্রায় ৩০ কোটি মানুষের এবং ৮০% প্রাণবৈচিত্র্যের আবাসস্থল। বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য অঙ্গ হলো বন। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১৬০ কোটি মানুষের জীবিকা প্রত্যক্ষ বা পরেক্ষভাবে বনভূমির উপর নির্ভর করে। বনভূমি ধ্বংস হয়ে গেলে প্রাণবৈচিত্র্য থাকবে না। আর প্রাণবৈচিত্র না থাকলে মানুষও টিকে থাকবে না। কাজেই যে কোন মূল্যে বনভূমিকে রক্ষা করতে হবে।


মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১১

ত্রিমাত্রিক ছবি: এক ছবির ভিতরে গভীর ভাবে দেখলে অন্য ছবি

নিচের ছবিগুলো লক্ষ করুন। ম্যাজিক আই পদ্ধতিতে আঁকা ছবিগুলোর দিকে তাকালে এমনিতে কিছু বোঝা যায় না। তবে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে চোখ সামনে বা পেছনের দিকে নিলে এর ভিতরে সম্পুর্ণ ভিন্ন রকমের অন্য একটি ছবি ভেসে আসবে। ভেসে আসবে বলতে সত্যিই ভেসে আসবে। মনে হবে মনিটর থেকে কোন একটা অবয়ব সামনের দিকে উঠে আসছে এবং সেটা হবে ত্রিমাত্রিক। অর্থাৎ সেটা সত্যিই সামনে আছে বলে মনে হবে (যেন হাত বাড়িয়ে ধরে ফেলা যাবে)। এমনই দশটি ছবি নিয়ে এই পোস্টে হাজির হয়েছি।

না দেখতে পেলে হতাশ হবেন না। চেষ্টা করে যান। ছবি দেখার ক্ষেত্রে ব্যক্তিভেদে পার্থক্য থাকবে। কেউ কেউ চোখ রাখা মাত্রই দেখতে পাবেন আর কারো কারো অনেক সময় লাগতে পারে (আমার নিজের ক্ষেত্রে প্রথমবার দেখতে দুই দিন লেগেছিলো। এখন তাকালেই দেখতে পাই)। তবে একবার একটি ছবি দেখতে পেলে পরবর্তিতে দেখা অনেক সহজ হয়ে যাবে। পোস্ট থেকে সরাসরি দেখবেন না, ছবিতে mouse pointer রেখে right button এ ক্লিক করে আলাদা ভাবে দেখুন। প্রয়োজনে জুম করে নিন।

তাহলে শুরু করা যাক:

১. উড়ন্ত পাখি





বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১০

গ্রীন হাউস ইফেক্ট: একটি গভীর দৃষ্টিপাত

গ্রীনহাউজ ইফেক্ট সম্বন্ধে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইড এর উপস্থিতি এর জন্য দায়ী সেটাও আমরা সবাই জানি। তবে যে বিষয়গুলো সবাই জানে না সেগুলো অবগত করাই আজকের লেখাটির উদ্দেশ্য।

গ্রীনহাউস ইফেক্ট

বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১০

লার্জ হেড্রন কোলাইডার: একবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই বিজ্ঞান জগতে বড় চমক

পৃথিবীর বুকে ক্ষুদ্র বিগব্যাঙ ঘটানোর সফল পরীক্ষা চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ পরীক্ষার ফলে সৌর কেন্দ্রের চাইতেও দশ লক্ষ গুণ বেশি তাপমাত্রা তৈরি হয় । এ পরীক্ষায় বিজ্ঞানীরা আয়নিত সীসা (লেড) কণার বিপরীতমুখী স্রোতের মধ্যে তীব্র গতিতে সংঘর্ষ ঘটান। এর ফলে প্রায় দশ লক্ষ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা সৃষ্টি হয়। তৈরি হয় কোয়ার্ক আর গ্লুয়নের প্লাজমা অবস্থা। এই অবস্থায় তারা পারস্পারিক আকর্ষণ থেকে মুক্ত থাকে। এই প্লাজমা অবস্থাকে পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন তাঁরা সবল বল নিয়ে আরো জানতে পারবেন। কৃত্রিম বিগ ব্যাঙ থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টির ইতিহাস এবং মহাবিশ্ব সৃষ্টির পর এর তাৎক্ষণিক অবস্থা সম্বন্ধে ধারনা লাভ করবেন। এই গবেষণা চালানো হয় লার্জ হেড্রন কোলাইডারে।

হেড্রন বলতে বোঝানো হয় কোয়র্ক দ্বারা গঠিত কণিকা।

সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১০

কাঠকয়লা: মানবজাতির ত্রাণকর্তা হতে যাচ্ছে কি?

“কয়লা ধুলে ময়লা যায় না” বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। স্পষ্টতই কয়লাকে চরম অবজ্ঞা করে ময়লার সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হল এই যে পানির তো কয়লাকে ধোয়ার কোন যোগ্যতা নেইই বরং কয়লা যে পানি দিয়ে ধোয়া হয় সেই পানিটাই পরিস্কার হয়ে যায়!

খুব অদ্ভুত মনে হচ্ছে কি কথাটাকে? ভাবছেন পুরোপুরি উল্টো কথা বলছি? মোটেই না। কাঠকয়লা নিয়ে আজ কিছু কথা বলব।

বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১০

Microphotography- না দেখলে miss করবেন: পর্ব-২

ছবিগুলো দেখুন। আপনার কল্পনাকে হার মানাতেও পারে।

ইলেক্ট্রনিক ডিসপ্লে: আজকাল সব ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতিতেই রঙ্গিন ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়। নিচে কয়েকটি রঙ্গীন ডিসপ্লে অনেক গুন বিবর্ধিত করে দেখানো হলো।
১.মোবাইল ফোন-১:


মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১০

Microphotography- না দেখলে miss করবেন: পর্ব-১




ছবিগুলো দেখুন, আপনার কল্পনাকে হার মানাতেও পারে।

১. Microchip: CDROM Drive থেকে খুলে নেয়া।
যে কোন মাইক্রচিপের ভিতরে আসলে অনেক জটিল একটি সার্কিট খুব ক্ষুদ্রাকারে পুরে দেয়া থাকে। যদি মাইক্রোচিপের আবির্ভাব না হতো তাহলে হয়তো এর ভিতরের পুরো সার্কিটটি আলাদাভাবে বিশাল আকারে তৈরি করতে হতো।


মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০১০

একি, সবখানে শুধু সেলুলোজ দেখি!

মনে করুন, আপনি আপনার প্রাত্যহিক জীবনের একটি দিন শুরু করতে যাচ্ছেন। আপনি সেলুলোজের তৈরি একটি খাটে ঘুমিয়ে আছেন। বিছানা, বালিশ সবই সেলুলোজের। আপনি ঘুম থেকে উঠলেন। আপনার গায়ে সেলুলোজের পোষাক। আপনি বিছানা ছেড়ে সেলুলোজের মেঝে দিয়ে হেঁটে হাতমুখ ধুয়ে আসলেন। তারপর নাস্তার টেবিলের দিকে এগিয়ে গেলেন যেটা সেলুলোজ নির্মিত। একটা চেয়ার টেনে বসলেন সেটাও সেলুলোজের। তারপর খাবার খেতে গিয়ে দেখলেন খাবারের মধ্যেও সেলুলোজ। খাবার খেয়ে দেয়ালঘড়িতে সময় দেখলেন অফিসে যাওয়ার আর কতটা সময় বাকি আছে এবং হঠাৎ থমকে গেলেন দেয়ালটা সেলুলোজ দিয়ে তৈরি বলে। আপনার অবাক হওয়ার পালা এখনো শেষ হয়নি। আপনি অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হবেন, আলমারি থেকে ভয়ে ভয়ে কাপড় বের করে পরতে গিয়ে বুঝতে পারলেন আলমারি আর কাপড় দুটোই সোলুলোজের। আপনার মুখটা আরেকটু ফ্যাকাশে হয়ে গেল। টিসু বের করে মুখের ঘাম মুছলেন। হালকা কম্পিত বোধ করছেন। কারন টিস্যুতেও সেলুলোজ দেখেছেন। ভাবছেন আর অফিসে যাবেন না। এদিকে ড্রাইভার হর্ণ বাজাচ্ছে। আপনি ভাবলেন একটা এ্যাপ্লিকেশন লিখে ড্রাইভারের হাতে দিয়ে দেবেন। যাথরীতি এ্যাপ্লিকেশন লিখতে গিয়ে সেলুলোজের হাতে পড়লেন কারন কাগজটা যে সেলুলোজ। আপনারা যারা লেখাটি পড়ছেন তাদের নিশ্চয়ই সেই লোভী রাজার গল্পের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে যার স্পর্শে সবকিছু সোনায় পরিণত হয়ে গিয়েছিলো।